• ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Delhi Capitals

খেলার দুনিয়া

রাহুলের জবাবে এক জোড়া তরুণ তুর্কীর ব্যাটিং আস্ফালন দেখল দিল্লি

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম দেখল এক অসাধারণ ক্রিকেট ম্যাচের সাক্ষী থাকলো। দিনটা শুরু হোল রাহুলের ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী দিয়ে। শেষ করল গিল-সুদর্শনের এক ক্লাসিক যুগলবন্দী দিয়ে। এ বারের আইপিএলে এক অন্য রাহুল কে দেখা যাচ্ছে। অনেক বেশী দায়ীত্ব নিয়ে খেলার চেষ্টা করেছেন। বদলে ফেলেছেন তাঁর ব্যাটিংয়ের ধরন। কাজে এল না রাহুলের অসাধারণ শতরান। কিন্তু মাঠে দাঁড়িয়ে ফিল্ডিং করতে করতে রাহুলের সেই ক্লাসিক ব্যাটিং থেকে শিক্ষা নিয়ে মাত করল গুজরাত টাইটান্স। ভারতের ভবিষ্যতের অধিনায়ক শুভমন গিল ও সাই সুদর্শনের ওপেনিং জুটি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল কী ভাবে রান তাড়া করতে হয়। তাঁদের ঘরের মাঠে গুজরাটকে হারিয়ে এবারের আইপিএলের প্রথম দল হিসাবে প্লে-অফে উঠল গুজরাত।দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আইপিএল ২০২৫-এর ৬০তম ম্যাচে গুজরাট টাইটানস (GT) দিল্লি ক্যাপিটালসকে (DC) ১০ উইকেটে পরাজিত করে প্লে-অফে জায়গা নিশ্চিত করেছে। দিল্লি ক্যাপিটালস প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৯ রান সংগ্রহ করে। উল্লেখযোগ্য, অধিনায়ক কেএল রাহুল ৬৩ বলে অপরাজিত ১১২ রান করেন।গুজরাট টাইটানস জবাবে, ওপেনার সাই সুদর্শন ৬১ বলে অপরাজিত ১০৮ রান এবং শুভমান গিল ৫৩ বলে অপরাজিত ৯৩ রান করেন। তারা ১৯ ওভারে ২০৫ রান করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয়। গুজরাট টাইটানসের এই ১০ উইকেটের জয় আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে উইকেট না হারিয়ে জয়ের রেকর্ড। মিচেল স্টার্কের অনুপস্থিতিতে দিল্লির বোলিং আক্রমণ দুর্বল হয়ে পড়ে, যা গুজরাটের ব্যাটসম্যানদের সহজে রান করতে সাহায্য করে।এই জয়ের মাধ্যমে গুজরাট টাইটানস প্লে-অফে জায়গা নিশ্চিত করে, যেখানে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং পাঞ্জাব কিংসও ইতিমধ্যে যোগ্যতা অর্জন করেছে। এই পরাজয়ের ফলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে-অফে যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীন। অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল দলের ফিল্ডিং এবং বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মে ১৯, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

প্রয়োজনীয় সময়ে জলে উঠলেন রাহুল, দিল্লি ক্যাপিটালসের সম্মান যোগ্য রান

সাময়ীক ক্ষরা কাটিয়ে রানে ফিরলেন এই মুহুর্তে ভারতীয় দলের মিস্টার ডিপেন্ডেবেল লোকেশ রাহুল। আইপিএলের শেষ কয়েকটি ম্যাচে বড় রান করতে না পারায় কিছুটা হলেও সমস্যায় পড়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ডু অর ডাই ম্যাচে রাহুলের ব্যাটের ওপর ভর করেই সম্মানযোগ্য রান দিল্লির। ৬০ বলে শতরান করলেন তিনি। চলতি মরসুমে এটিই রাহুলের প্রথম শতরান।রবিবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালস ও গুজরাট টাইটানসের মধ্যকার ম্যাচে কেএল রাহুল অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন। তিনি ৬৫ বলে অপরাজিত ১১২ রান করেন, যার মধ্যে ছিল ১৪ টি চার ও ৪টি ছয়। আজকের শতরান ধরে রাহুল আইপিএলে তার পঞ্চম শতক পূর্ণ করেন এবং তিনটি ভিন্ন দলের হয়ে শতরান করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেনপাঞ্জাব কিংস, লখনউ সুপার জায়ান্টস এবং দিল্লি ক্যাপিটালস ।এছাড়াও, তিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৮,০০০ রান পূর্ণ করে সবচেয়ে দ্রুততম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে বিরাট কোহলির রেকর্ড ভেঙেছেন। কোহলি এই মাইলফলক অর্জন করেছিলেন ২৪৩ ইনিংসে, সেখানে রাহুল তা করেছেন মাত্র ২২৪ ইনিংসে । এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে রাহুল আইপিএলে শতকের সংখ্যায় চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছেন, সেই তালিকায় তার উপরে রয়েছেন বিরাট কোহলি (৮), জস বাটলার (৭) এবং ক্রিস গেইল (৬)।কে এক রাহুলের আজকের এই ইনিংসটি দিল্লি ক্যাপিটালসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এটি একটি মাস্ট-উইন ম্যাচ ছিল এবং রাহুলের এই পারফরম্যান্স দলকে ১৯৯/৩ রানে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে । আবারও কেএল রাহুল প্রমাণ করেছেন যে তিনি আইপিএলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান।

মে ১৮, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

পাঞ্জাবকে হারিয়ে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিল দিল্লি

পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিল দিল্লি ক্যাপিটালস। ১৭ রানে জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে টপকে উঠে এল লিগ টেবিলের চার নম্বরে। একই সঙ্গে জমিয়ে দিল প্লে অফের লড়াই। একমাত্র দল হিসেবে গুজরাট টাইটান্স প্লে অফে খেলা নিশ্চিত করেছে। বাকি কোন তিনটি দল শেষ চারে যাবে, এখনও চূড়ান্ত নয়। প্লে অফের ছাড়পত্রের জন্য দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংসের কাছে ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সামনে কম রানের লক্ষ্য নিয়েও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় হেরে প্লে অফের লড়াই থেকে কার্যত ছিটকে গেল পাঞ্জাব কিংস। জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ওপর চাপ বাড়াল দিল্লি ক্যাপিটালস। দুরন্ত বোলিং করে দলকে জয় এনে দিলেন কুলদীপ যাদবরা। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় এদিন পাঞ্জাব কিংসের সামনে বড় রানের লক্ষ্য দিতে পারেনি ঋষভ পন্থের দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলেছিল ১৫৯/৭। ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল পাঞ্জাব কিংস। ৩.৪ ওভারে তুলে ফেলে ৩৮। এরপরই ধাক্কা। জনি বেয়ারস্টকে তুলে নেন এনরিখ নরটিয়ে। ১৫ বলে ২৮ রান করেন বেয়ারস্ট। ২ ওভার পরেই ভানুকা রাজাপক্ষেকে (৪) শার্দুল ঠাকুর। একই ওভারে তুলে নেন শিখর ধাওয়ানকে (১৬ বলে ১৯)। এরপরই ধস নামে পাঞ্জাব ইনিংসে। একে একে ফিরে যান মায়াঙ্ক আগরওয়াল (০), লিয়াম লিভিংস্টোন (৩), হরপ্রীত ব্রার (১), ঋষি ধাওয়ান (৪)। ৮২ রানের মধ্যে ৭ উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে তোলে ১৪২/৯। জিতেশ শর্মা করেন ৪৪, রাহুল চাহার ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩৬ রানে ৪ উইকেট নেন শার্দূল ঠাকুর। এদিন টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। আউট হন ডেভিড ওয়ার্নার (০)। চলতি আইপিএলে তিনি প্রথমবার গোল্ডেন ডাকের শিকার। সরফরাজ খান (১৬ বলে ৩২) ওপেন করতে নেমে ঝড় তোলেন। ২১ বলে ২৪ রান করেন ললিত। ১১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। মিচেল মার্শের লড়াকু ব্যাটিং দিল্লিকে ১৫৯/৭ রানে পৌঁছে দেয়। ৪৮ বলে ৬৩ রান করেন মার্শ। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন লিয়াম লিভিংস্টোন।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাঞ্জাব কিংসের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে ব্যর্থ দিল্লি ক্যাপিটালস

চলতি আইপিএলে একমাত্র দল হিসেবে গুজরাট টাইটান্স প্লে অফে খেলা নিশ্চিত করেছে। বাকি কোন তিনটি দল শেষ চারে যাবে, এখনও চূড়ান্ত নয়। লড়াইয়ে রয়েছে রাজস্থান রয়্যালস, লখনউ সুপার জায়ান্টস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংস। সোমবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নেমেছে পাঞ্জাব ও দিল্লি। যে দল জিতবে, তারা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে সরিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় রান তুলে পাঞ্জাব কিংসকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারল না দিল্লি ক্যাপিটালস।টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। প্রথম একাদশে এদিন দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছে দিল্লি। চেতন সাকারিয়ার জায়গায় দলে ফেরানো হয়েছে খলিল আমেদকে। আর শ্রীকার ভরতের জায়গায় সরফরাজ খান। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও পৃথ্বী শ এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি। তাই তাঁকে নিয়ে ঝুঁকি নেয়নি দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। আগের দুটি ম্যাচে শ্রীকার ভরত। তাই তাঁর পরিবর্তে সরফরাজ খানকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট।ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। লিয়াম লিভিংস্টোনের বলে রাহুল চাহারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ডেভিড ওয়ার্নার (০)। চলতি আইপিএলে তিনি প্রথমবার গোল্ডেন ডাকের শিকার। এদিন অনভ্যস্ত জায়গায় ব্যাট করতে নেমে সফল সরফরাজ খান। আদতে তিনি মিডল অর্ডারে ব্যাট করেন। এদিন ওপেন করতে পাঠানো হয়েছিল। শুরু থেকেই তিনি ঝড় তোলেন। ১৬ বলে ৩২ রান করে অর্শদীপের বলে রাহুল চাহারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।৫১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর দিল্লিকে টেনে নিয়ে যান মিচেল মার্শ ও ললিত যাদব। ২১ বলে ২৪ রান করে ফিরে যান ললিত। ১১ ওভারে ৯৮ রান তুলে ফেলে দিল্লি। মনে হচ্ছিল পাঞ্জাবের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে। কিন্তু হঠাৎই ছন্দপতন। পরপর ফিরে যান ঋষভ পন্থ (৭) ও রভম্যান পাওয়েল। ১১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। মিচেল মার্শের লড়াকু ব্যাটিং চাপ কাটায় দিল্লির। ৪৮ বলে ৬৩ রান করে কাগিসো রাবাডার বলে আউট হন মার্শ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৯ রানে পৌঁছয় দিল্লি। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন লিয়াম লিভিংস্টোন। ৩১ রানে ২ উইকেট অর্শদীপ সিংয়ের।

মে ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওয়ার্নার ও মার্শের দাপটে প্লে অফের লড়াইয়ে রইল দিল্লি ক্যাপিটালস

রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে উড়িয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবে ঢুকে পড়ল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জয়ের নায়ক দুই অস্ট্রেলিয়ান তারকা মিচেল মার্শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। এই দুই ব্যাটারের সামনে উড়ে গেলেন রাজস্থানের বোলাররা।ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্য দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে এদিন জয়ের জন্য খুব বড় রানের টার্গেট দিতে পারেনি রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ১৬০/৬। দিল্লির যা ব্যাটিং শক্তি তাতে ১৬১ রান তোলা খুব একটা কঠিন ছিল না। দ্বিতীয় বলে শিকর ভরতের উইকেট হারালেও সমস্যায় পড়তে হয়নি দিল্লিকে। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামাল দেন মার্শ ও ওয়ার্নার। পৃথ্বী শর না থাকাটা যে কতটা ক্ষতি, বুঝতে পারছে দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। শিকর ভরত আর যাইহোক পৃথ্বীর বিকল্প হতে পারেন না। পরপর দুম্যাচে ব্যর্থ ভরত। এদিন তো কোনও রান না করেই ইনিংসের প্রথম ওভারে ট্রেন্ট বোল্টের বলে উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। প্রথম ওভারে উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি দিল্লি। ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের সৌজন্যে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। রাজস্থানের কোনও বোলারই দিল্লির এই দুই ব্যাটারকে সমস্যায় ফেলতে পারেননি। ওয়ার্নারের থেকেও এদিন বেশি বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন মিচেল মার্শ। সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন। চাহালকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে কুলদীপ সেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মার্শ। ৬২ বলে ৮৯ রান করেন তিনি। মার্শের ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৭টি ছয়। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ৪১ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১১ বল বাকি থাকতে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দিল্লি। এদিন টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ইনিংসের শুরুতেই চেতন সাকারিয়ার বলে ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে বাটলার শার্দূল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সোয়ালও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৯ বলে ১৯ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডাগ আউটে ফেরেন। শুরুতে বাটলার আউট হওয়ায় মনে হচ্ছিল খুব বড় রানে পৌঁছতে পারবে না রাজস্থান। কিন্তু রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের ব্যাটে ভর করে ঘুরে দাঁড়ায় রাজস্থান। জুটিতে ওঠে ৫৩। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে তিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কাজে লেগে গেল। ৩৮ বলে ৫০ রান করে অশ্বিন মিচেল মার্শের বলে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (৬), রিয়ান পরাগরা (৯) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান পাড়িক্কল। ৩০ বলে ৪৮ রান করে তিনি আনরিচ নর্টিয়ের বলে কমলেশ নাগরকোটির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ১০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শুরুতে বাটলারকে হারিয়েও লড়াই করার মতো রান রাজস্থান রয়্যালসের

বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফ কার্যত নিশ্চিত। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরুতে জস বাটলারের মতো ব্যাটারকে হারিয়েও লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল রাজস্থান রয়্যালস। রাজস্থানের মান বাঁচল রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের সৌজন্যে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬০ রান তুলল রাজস্থান।এদিন রাজস্থান রয়্যালস একটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। শিমরন হেটমায়ার সন্তানের জন্মের জন্য গায়ানা ফিরে গেছেন। তাঁর পরিবর্তে প্রথম একাদশে আসেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। অন্যদিকে, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুটি পরিবর্তন করে দিল্লি ক্যাপিটালস। রিপাল প্যাটেলের পরিবর্তে প্রথম একাদশে ফেরানো হয় ললিত যাদবকে। আর খলিল আমেদের জায়গায় প্রথম একাদশে ঢোকেন চেতন সাকারিয়া। তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট যে কোনও ভুল করেনি, শুরুতেই জস বাটলারকে তুলে নিয়ে প্রমাণ করে দেন সাকারিয়া। দীর্ঘক্ষণ ক্রিজে থাকলে ঝড় তুলে রাজস্থানকে ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়এ যেতেন বাটলার। ইংল্যান্ডের এই ওপেনারকে সেই সুযোগ দেননি সাকারিয়া।টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ইনিংসের শুরু থেকেই চেতন সাকারিয়ার বোলিংয়ের সামনে অস্বস্তিতে ছিলেন বাটলার। শেষ পর্যন্ত সাকারিয়াকেই উইকেট উপহার দেন বাটলার। ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে তিনি শার্দূল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সোয়ালও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৯ বলে ১৯ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডাগ আউটে ফেরেন। ৫৪ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের ব্যাটে ভর কর রুখে দাঁড়ায় রাজস্থান। জুটিতে ওঠে ৫৩। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে তিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কাজে লেগে গেল। ৩৮ বলে ৫০ রান করে অশ্বিন মিচেল মার্শের বলে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (৬), রিয়ান পরাগরা (৯) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান পাড়িক্কল। ৩০ বলে ৪৮ রান করে তিনি আনরিচ নর্টিয়ের বলে কমলেশ নাগরকোটির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ১০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সকে ভেন্টিলেশনে ঠেলে দিলেন প্রাক্তনী কুলদীপ

গত বছর আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্লে অফের ছাড়পত্র জোগাড় করে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এ মরশুমে সেই সম্ভাবনা যথেষ্ট ক্ষীণ। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে এদিন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হারল ৪ উইকেটে। টানা ৫ ম্যাচ হেরে প্লে অফের রাস্তা যথেষ্ট কঠিন করে ফেলল নাইটরা। নাইটদের ভেন্টিলেশনে ঠেলে দিলেন কুলদীপ যাদব। দুরন্ত বোলিং করে নাইটদের ব্যাটিংকে তছনছ করে দেন।দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে এদিন শুরুটা ভাল হয়নি নাইট রাইডার্সের। নাইট শিবির থেকেও প্রত্যাঘাত এসেছিল দারুণভাবেই। ১৪৬ রান হাতে নিয়ে ম্যাচ জিততে গেলে বোলারদের জ্বলে ওঠাটা জরুরি। প্রথম বলেই পৃথ্বী শকে (০) তুলে নিয়ে দিল্লি ক্যাপিটালস শিবিরে চ্যালেঞ্জটা ছুঁড়ে দিয়েছিলেন উমেশ যাদব। নিজের বলেই তিনি পৃথ্বীর ক্যাচ নেন। পরের বলেই আরও একটা উইকেট পেতে পারতেন উমেশ। তাঁর বল মিচেল মার্শের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটকিপার বাবা ইন্দ্রজিতের সামনে পড়ে বেরিয়ে যায়। প্রথম ওভারেই ওঠে ১১। দ্বিতীয় ওভারে আবার ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই দলকে দারুণ ব্রেক থ্রু এনে দেন ২০ বছর বয়সী তরুণ জোরে বোলার হর্ষিত রানা। তুলে নেন মিচেল মার্শকে। ফ্লিক করতে গিয়ে ডিফ স্কোয়ার লেগে ভেঙ্কটেশ আয়ারের হাতে সহজ ক্যাচ দেন মার্শ (৭ বলে ১৩)। ১৭ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। পরিস্থিতি দারুণভাবে সামাল দেন ললিত যাদব ও ডেভিড ওয়ার্নার। গতবছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদ জার্সি গায়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। এবছর নিলামে দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁকে তুলে নেয়। দিল্লির জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তারপর থেকেই দারুণ ছন্দে এই অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে এদিনও দারুণ চাপ সামলালেন। ললিত যাদবকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে উমেশ যাদব বল করতে এসে ওয়ার্নার (২৬ বলে ৪২) ও ঋষভ পন্থকে (২) তুলে নেন। অন্যদিকে ললিত যাদবকে (২২) ফেরান সুনীল নারাইন। পরপর ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। চাপ কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত দলকে জয় এনে দেন অক্ষর প্যাটেল (১৭ বলে ২৪) ও রভম্যান পাওয়েল (১৬ বলে অপরাজিত ৩৩)। ১ ওভার বাকি থাকতে ১৫০/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণির সামনে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের ব্যাটাররা। যদিও নাইট শিবিরে প্রথম ধাক্কা দেন চেতন সাকারিয়া। দ্বিতীয় ওভারে তিনি অ্যারন ফিঞ্চের (৩) স্টাম্প ছিটকে দেন। এদিন লোয়ার অর্ডার থেকে ওপেনিংয়ে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (৬)। তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। অষ্টম ওভারে পরপর দুবলে বাবা ইন্দ্রজিৎ (৬) ও সুনীল নারাইনকে (০) তুলে নিয়ে নাইটদের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান কুলদীপ যাদব। জ্বলে ওঠার মুখে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকেও (৩৭ বলে ৪২)। তুলে নেন। পরের বলেই ফেরান রাসেলকে (০)। নীতিশ রানা (৩৪ বলে ৫৭) ও রিঙ্কু সিংয়ের (১৬ বলে ২৩) সৌজন্যে ১৪৬/৯ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন কুলদীপ।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার সেঞ্চুরি!‌ স্বপ্নের ফর্মে বাটলার, উড়ে গেলেন কুলদীপরা

আবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন জস বাটলার। এদিন ওয়াংখেড়েতে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে পেলেন চলতি আইপিএলের তৃতীয় শতরান। সেই সঙ্গে আইপিএলে তাঁর মোট শতরানের সংখ্যা দাঁড়াল ৪। বাটলার স্পর্শ করলেন ডেভিড ওয়ার্নার ও শেন ওয়াটসনকে। নিজের শেষ ৮ আইপিএল ইনিংসের চারটিতেই শতরান হাঁকালেন বাটলার।রাজস্থান রয়্যালস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে লড়াইটা ছিল মূলত রাজস্থানের ব্যাটারদের সঙ্গে দিল্লির বোলারদের লড়াই। কুলদীপ যাদব, মুম্তাফিজুর রহমান, অক্ষর প্যাটেলদের নক আউট করে দিয়ে রীতিমতো দাপট দেখিয়ে গেলেন বাটলারদেবদত্ত পাড়িক্কলরা। এই দুই ওপেনারের সৌজন্যেই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে বড় রান রাজস্থান রয়্যালসের। এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ভেবেছিলেন ১৫০১৬০ রানের মধ্যে রাজস্থান রয়্যালসকে আটকে রাখতে পারবেন। ভরসা করেছিলেন দলের সেরা লেগ স্পিনার কুলদীপ যাদবের ওপর। কিন্তু দিল্লি বোলারদের কোনও রকম সুযোগ দেননি রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। চলতি আইপিএলে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন বাটলার। এদিন ললিত যাদবের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। দেবদত্ত পাড়িক্কলও নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন। তাঁর হাফ সেঞ্চুরি আসে ৫০ বলে। রাজস্থানের বাটলার ও দেবদত্তর এই দুই ওপেনার সবথেকে বেশি নির্দয় ছিলেন কুলদীপ যাদবের ওপর। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ৫৪ রান করে খলিল আমেদের বলে এলবিডব্লুউ হন দেবদত্ত পাড়িক্কল।প্রথম দিকে বাটলার খুব বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন না। হাফ সেঞ্চুরি করার পর রীতিমতো ঝড় তোলেন। পরের ৫০ আসে ২২ বলে। অর্থাৎ ৫৭ বলে সেঞ্চুরি। আইপিলে মোট ৪ সেঞ্চুরির মালিক হলেন বাটলার। চলতি মরশুমে ৩টি। শেষ পর্যন্ত ৬৫ বলে ১১৬ রান করে তিনি মুস্তাফিজুরের বলে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সঞ্জু স্যামসনও ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন। ১৯ বলে ৪৬ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২২২ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস।

এপ্রিল ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বঞ্চনার মোক্ষম জবাব, নাইট রাইডার্সকে তছনছ করে দিলেন এই স্পিনার

যাবতীয় বঞ্চনার জবাব। পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন কুলদীপ যাদব। তাঁর দাপটেই টানা ২ ম্যাচ হারের পর জয়ে ফিরল দিল্লি ক্যাপিটালস। নাইট রাইডার্সকে হারাল ৪৪ রানে। ৩৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিলেন কুলদীপ। টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। শুরু থেকেই ঝড় তুলে উমেশ যাদব, রসিক সালাম দার, প্যাট কামিন্সদের ছন্দ নষ্ট করে দেন দিল্লির দুই ওপেনার। ৪ ওভারেই ৫০ রান পূর্ণ হয়ে যায় দিল্লির। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৬৮। চলতি আইপিএলে এটা তৃতীয় সর্বোচ্চ। সবথেকে বেশি তুলেছে চেন্নাই সুপার কিংস (৭৩/১) লখনউর বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঞ্জাব কিংসের (৭২/২)। পাঞ্জাব তুলেছিল চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে। সবকটিই মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে। ওয়ার্নারের তুলনায় পৃথ্বী শ বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। ২৭ বলে তিনি হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন পৃথ্বী। নাইটদের বিরদ্ধে আগের ৫ ইনিংসে তাঁর রান ৮২,৬৬,১৪,৯৯,৬২।নাইট রাইডার্সকে ব্রেক থ্রু এনে দেন বরুণ চক্রবর্তী। নবম ওভারের চতুর্থ বলে তাঁর গুগলিতে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন পৃথ্বী (২৯ বলে ৫১)। পৃথ্বীর ইনিংসে রয়েছে ৭টা ৪ এবং ২টি ৬। ৯.৫ ওভারে ১০০ রান পূর্ণ হয় দিল্লির। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে তিন নম্বরে উঠিয়ে নিয়ে এসেছিলেন ঋষভ পন্থ। দারুণ শুরুও করেছিলেন। ১৪ বলে ২৭ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে উমেশ যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ঋষভ আউট হওয়ার পরের বলেই ফেরেন ললিত যাদব (১)। তিনি সুনীল নারাইনের বলে এলবিডব্লু হন। নারাইনকে তুলে মারতে গিয়ে পরিবর্ত ফিল্ডার রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রভম্যান পাওয়েল (৮)। ৪৫ বলে ৬১ রান করে উমেশ যাদবের বলে ফিরে যান ওয়ার্নার। পরপর ৪ উইকেট হারিয়ে রান তোলার গতি অনেকটাই কমে যায় দিল্লি ক্যাপিটালসের।পরের দিকে ঝড় তোলেন অক্ষর প্যাটেল (১৪ বলে অপরাজিত ২২) ও শার্দুল ঠাকুর (১১ বলে অপরাজিত ২৯)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ২১৫/৫ তোলে দিল্লি। সুনীল নারাইন ২১ রানে ২ উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে দেন ৫৮। তুলে নেন ১ উইকেট। জয়ের জন্য ২১৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। ৩৮ রানের মধ্যে ফিরে যান দুই ওপেনার ভেঙ্কটেশ আয়ার ও অজিঙ্কা রাহানে। এদিন শুরুটা ভাল করেছিলেন ভেঙ্কটেশ। ৮ বলে ১৮ রান করে তিনি খলিল আহমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।এদিনও ব্যর্থ রাহানে। ১৪ বলে মাত্র ৮ রান করে খলিল আহমেদের বলে শার্দুল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আনরিখ নোখিয়ার পরিবর্তে এদিন খলিল আহমেদকে খেলায় দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। সুযোগের দারুন সদব্যবহার করেন খলিল। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নাইট রাইডার্সকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ রানা ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। জুটিতে ওঠে ৬৯ রান। নীতিশকে (২০ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ললিত যাদব।পুরনো দলের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সকে দারুন টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন শ্রেয়স। এগিয়ে এসে কুলদীপকে মারতে গিয়ে স্টাম্পড হন তিনি। ৩৩ বলে ৫৪ করেন শ্রেয়স। শ্রেয়স আয়ার আউট হওয়ার পরপরই ধস নামে নাইট রাইডার্স ইনিংসে। পরপর ফিরে যান সাম বিলিংস (১৫), প্যাট কামিন্স (৪), সুনীল নারাইন (৪), উমেশ যাদব (০)। দলের ষষ্ঠদশ ও নিজের চতুর্থ ওভারে কামিন্স, নারাইন ও উমেশকে ফেরান কুলদীপ। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নাইট রাইডার্সের মেরুদন্ড ভেঙে দেন। আন্দ্রে রাসেল ২১ বলে করেন ২৪। ১৯.৪ ওভারে ১৭১ রানে গুটিয়ে যায় নাইট রাইডার্সের ইনিংস।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হার্দিকের মস্তিষ্ক, ফার্গুসনের দাপটে দারুণ জয় গুজরাট টাইটান্সের

দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। এমন সময়ই লকি ফার্গুসনকে আক্রমণে নিয়ে এসে মোক্ষম চাল গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার। ঋষভকে ফার্গুসন তুলে নিতেই জয়ের আশা শেষ দিল্লির। ফার্গুসনের দুরন্ত বোলিং দ্বিতীয় জয় এনে দিল গুজরাট টাইটান্সকে। দিল্লির বিরুদ্ধে জিতল ১৪ রানে।পরপর দুম্যাচে ব্যর্থ বিজয় শঙ্কর। এর পরেও ডাগ আউটে বসে থাকতে হবে ঋদ্ধিমান সাহাকে? শনিবার গুজরাট টাইটান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে প্রশ্নটা উঠেই গেল। চলতি আইপিএলে বাংলার আকাশদীপ, মহম্মদ সামি, শাহবাজ আমেদরা যেখানে নিজেদের মেলে ধরছেন, সেখানে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগই পাচ্ছেন না ঋদ্ধিমান সাহা। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের গুজরাট টাইটান্স বড় রান তুলল। সৌজন্যে প্রাক্তন নাইট রাইডার্স তারকা শুভমান গিল।চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় জয়ের খোঁজে এদিন টস জিতে পুনেতে মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ম্যাচেই তৃতীয় বলেই ধাক্কা খায় গুজরাট টাইটান্স। ম্যাথু ওয়েডকে (১) তুলে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরের বলেই ফেরেন বিজয় শঙ্কর। ২০ বলে মাত্র ১৩ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন। বিজয় শঙ্করকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন টেস্ট খেলতে নেমেছেন। এরপর শুভমানের সঙ্গে জুটি বেঁধে গুজরাটকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। চতুর্দশ ওভারের শেষ বলে হার্দিককে ফেরান খলিল আমেদ। ২৭ বলে ৩১ রান করে আউট হন হার্দিক।একের পর এক উইকেট পড়লেও অন্যপ্রান্তে শুভমানের ঝড় অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৮৪ রান করে তিনি খলিল আমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শুভমানের ইনিংসে রয়েছে ৬টি ৪ এবং ৪টি ৬। রাহুল তেওয়াটিয়া ৮ বলে করেন ১৪। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ তোলে গুজরাট টাইটান্স। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৩৪ রানে ২ উইকেট খলিল আমেদের।জয়ের জন্য ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালসের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ খুঁজে পেলেন না পৃথ্বী শ। ৭ বলে ১০ রান করে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন পৃথ্বী। একই ওভারে মনদীপ সিংকে (১৬ বলে ১৮) তুলে নেন ফার্গুসন। ঋষভ পন্থ ও ললিত যাদব দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অধিনায়কের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ললিত (২২ বলে ২৫) রান আউট।পঞ্চদশ ওভারে লকি ফার্গুসনকে আবার আক্রমণে নিয়ে আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর এই সিদ্ধান্ত একেবারে মাস্টারস্ট্রোক। ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা ঋষভকে তুলে নিয়ে গুজরাটকে ম্যাচে ফেরান ফার্গুসন। ৭টি চারের সাহায্যে ২৯ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ঋষভ। একই ওভারে অক্ষর প্যাটেলকে (৮) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন লকি ফার্গুসন। বাকি কাজটা সারেন মহম্মদ সামি ও রশিদ খান। পরপর দুবলে রভম্যান পাওয়েল (১২ বলে ২০) ও খলিল আমেদকে (০) তুলে নেন সামি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৭/৯ তোলে দিল্লি। ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন লকি ফার্গুসন। ৩০ রানে ২ উইকেট সামির।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, কুলদীপের সঙ্গে চাকরের মতো ব্যবহার করত নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট!‌

গত বছর আইপিএল চলাকালীনই একসময় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন কুলদীপ যাদব। দিনের পর দিন রিজার্ভ বেঞ্চে বসে থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। নাইট কর্তাদের কাছে রিলিজও চেয়েছিলেন। কিন্তু পাননি। তাঁর সঙ্গে নাকি চাকরের মতো ব্যবহার করতেন নাইট কর্তারা। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন কুলদীপ যাদবের কোচ কপিল পাণ্ডে। এমনকি নাইট কর্তাদের জন্য এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন কুলদীপ, মনে করছেন তিনি। বেশ কয়েক মরশুম ধরে কলকাতা নাইট রাইডার্সে ব্রাত্য কুলদীপ যাদবকে এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তুলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ করে দিয়েছেন, দলকে জেতানোর মতো দক্ষতা এখনও তাঁর রয়েছে। নাইট রাইডার্সে কুলদীপকে চাকরের মতো রাখা হত বলে জানিয়েছেন কপিল পাণ্ডে। তিনি বলেন, কুলদীপের সঙ্গে নাইট রাইডার্স চাকরের মতো ব্যবহার করত। না খেলিয়ে দিনের পর দিন ওকে বসিয়ে রাখত। ওর মধ্যে হতাশা এসে গিয়েছিল। আমাকে বলত, স্যর আমাকে কেন খেলার সুযোগ দিচ্ছে না, বুঝতে পারছি না। আমাকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। কোথায় সমস্যা জানি না। ওকে যেদিন ছেড়ে দিয়েছিল, খুব খুশি হয়েছিলাম। নাইট রাইডার্সের জন্য কুলদীপ যে আর্থিকভাবে ক্ষতি হয়েছেন, সেকথাও জানিয়েছেন কপিল পাণ্ডে। তিনি বলেন, দুবছর ধরে খেলার সুযোগ না পেয়ে ওর দর অনেক কমে গিয়েছে। ওর যা কোয়ালিটি ৯১০ কোটি টাকা পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু মাত্র ২ কোটি টাকা দর উঠেছিল এবারের নিলামে। নাইট রাইডার্সের জন্যই ওর এতটা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তবে ওকে বলেছি, ক্ষতি নিয়ে না ভাবতে। দেশের হয়ে খেলার জন্য মনোযোগ দাও। একসময় কুলদীপ যাদবকে বাড়ি ফিরে গিয়ে ঘরে বসে থাকার কথাও নাকি বলেছিলেন দীনেশ কার্তিক, ইওয়িন মর্গানরা। এমনই দাবি করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ। তিনি বলেন, কুলদীপ যাদবের ম্যাচ জেতানোর মতো ট্র্যাক রেকর্ড আছে। ও একটু আবেগপ্রবন। যদি দলকে না জেতাতে পারে, কিংবা খারাপ বোলিং করে কিংবা দল থেকে বাদ পড়ে তাহলে খুব ভেঙে পড়ে। কার্তিক ও মর্গান অধিনায়ক থাকার সময় কুলদীপকে তো বলা হয়েছিল বাড়ি গিয়ে বসে থাকতে।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুরন্ত কুলদীপ, অক্ষর–ললিতের দাপটে দুরন্ত জয় দিল্লি ক্যাপিটালসের

গত দুই মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডাগ আউটে বসে থাকতে হয়েছিল। ঢাকা পড়েছিলেন সুনীল নারাইন ও বরুণ চক্রবর্তীর ছায়ায়। কুলদীপ যাদবের দিকে ফিরেও তাকায়নি নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। মাঠে নামার সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তাঁর ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস কর্তারা। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিলেন কুলদীপ যাদব। দিল্লিতে পেলেন নতুন জীবন। এই চাইনাম্যানের দাপটেই জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত শর্মা, কিয়েরন পোলার্ডের মতো ব্যাটাররা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৪ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএল অভিযান শুরু করল দিল্লি ক্যাপিটালস।কুলদীপ যাদব দুরন্ত বোলিং করলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের জয়ের নায়ক অবশ্য অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। যেভাবে হারা ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন, তাঁদের লড়াইকে কুর্নিশ করতেই হবে। এদিন মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে টস জিতে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ওপেনিং জুটিতে মুম্বই তোলে ৬৭। এরপরই রোহিত শর্মাকে (৩২ বলে ৪১) তুলে নিয়ে দলকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন কুলদীপ। ১ ওভার পরেই আনমোলপ্রীত সিংকেও (৮) তুলে নেন কুলদীপ। ৮৩ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই। তিলক ভার্মাকে (২২) তুলে নেন খলিল আহমেদ। তবে মুম্বইয়ের মিডল অর্ডারে বড় ধাক্কা দেন সেই কুলদীপ। মোক্ষম সময়ে তুলে নেন পোলার্ডকে (৩)। একের পর এক উইকেট পড়লেও দুরন্ত ব্যাটিং করে যান ঈশান কিশান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে মুম্বই। ঈশান কিশান ৪৮ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। ২৭ রানে ২ উইরকেট পান খলিল আমেদ।জয়ের জন্য ১৭৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩০। এরপর একই ওভারে টিম সেইফার্ট (২১) ও মনদীপ সিংকে (০) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন মুরুগান অশ্বিন। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (১) দ্রুত ডাগ আউটে ফেরায় আরও চাপে পড়ে যায় দিল্লি। একসময় ৭২ রানে ৫ উইকেট হারায়। একসময় মনে হচ্ছিল দিল্লির পক্ষে জেতা সম্ভব হবে না। এরপরই জ্বলে ওঠেন দিল্লির লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। বল হাত ব্যর্থ হলেও ১১ বলে ২২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে ম্যাচে ফেরার শার্দূল ঠাকুর। তিনি আউট হওয়ার সময় দিল্লির রান ছিল ১৩.২ ওভারে ১০৪/৪। এরপরই জ্বলে ওঠেন অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। তাঁদের ৩০ বলে ৭৫ রানের জুটি দিল্লিকে জয়ের পথে নিয়ে যায়। ৩৮ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ললিত। ১৭ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন অক্ষর প্যাটেল। ৮ বল বাকি থাকতে ১৭৯/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন বাসিল থাম্পি। ১৪ রানে ২ উইকেট মুরুগান অশ্বিনের।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রবিবার হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে কেন চিন্তায় রোহিত–ঋষভ?‌

কলকাতা নাইট রাইডার্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচ দিয়ে শনিবার হল পঞ্চদশ আইপিএলের বোধন। রবিবার আরও একটা মেগা ম্যাচ। বলতে গেলে উত্তরপশ্চিম ডার্বি। মুখোমুখি হবে রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও ঋষভ পন্থের দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে অবশ্য দুই দলই স্বস্তিতে নেই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স যেমন পাচ্ছে না সূর্যকুমার যাদবকে। তেমনি দিল্লি ক্যাপিটালস পাবে না ডেভিড ওয়ার্নারকে। তবে শক্তির বিচারে দেখতে গেলে দিল্লি ক্যাপিটালসের থেকে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।এবারে মেগা নিলামের আগে রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা, ঈশান কিশান ও কিয়েরণ পোলার্ডকে রেখে দিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এছাড়া নিলাম থেকে তুলে নিয়েছিল সূর্যকুমার যাদবকে। এই পাঁচজনই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মূল ভরসা। এছাড়া নিলাম থেকে তুলে নিয়েছে তিলক ভার্মা, টিম ডেভিড, ডিওয়াল্ড ব্রেভিসের মতো বেশ কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটারকে। রয়েছেন জয়দেব উনাদকাত, জোফ্রা আর্চার, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, টাইমল মিলসের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। ডিওয়াল্ড ব্রেভিসকে তো ইতিমধ্যেই তুলনা করে হচ্ছে এবি ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে। ব্রেভিস নাকি ডিভিলিয়ার্সের মতো ৩৬০ ডিগ্রি শট খেলতে পারেন। দক্ষিণ আফ্রিকার এই তারকা এবারের আইপিএলে মুম্বইয়ের তুরুপের তাস হতে পারেন। দিল্লির বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মুম্বই পাবে না সূর্যকুমার যাদবকে। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিট নন। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে তাঁর রিহ্যাব চলছে। কবে যোগ দেবেন, এখনও নিশ্চিত নয়। তাঁর পরিবর্তে হয়তো তরুণ তিলক ভার্মাকে খেলাতে পারে মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্যারিবিয়ান তারকা ফ্যাবিয়ান অ্যালেনকে খেলাতে পারে। বোলিং আক্রমণ সামলানোর দায়িত্ব যশপ্রীত বুমরা, জয়দেব উনাদকাত, মুরুগান অশ্বিন, মায়াঙ্ক মার্কান্ডেদের ওপর। অন্যদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসও বেশ কয়েকটা ম্যাচে পাবে না ডেভিড ওয়ার্নার ও আনরিখ নর্টিয়েকে। লুঙ্গি এনগিডি, মুস্তাফিজুর রহমানও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে নেই। শক্তির নিরিখে প্রতিপক্ষের চেয়ে একটু দু্র্বল হওয়া সত্ত্বেও পঞ্চদশ আইপিএল ভালভাবে শুরু করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচ রিকি পন্টিং। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাল দুই বড় বিদেশি অস্ত্র রভম্যান পাওয়েল ও টিম সেইফার্ট। বিশেষ করে পাওয়েলকে নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। তিনি বলেছেন, চার কিংবা পাঁচ নম্বরে ব্যাট করানো হবে পাওয়ারফুল পাওয়েলকে। নীচের দিকে একজন আক্রমণাত্মক ব্যাটার আমরা খুঁজছিলাম। আশা করি, পাওয়েল সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারবেন। পাশাপাশি ডেভিড ওয়ার্নার এলেও দল যে শক্তিশালী হবে তা স্বীকার করেছেন পন্থ। প্রথম ম্যাচে তাঁর সঙ্গে ওপেন করবেন পৃথ্বী শ।

মার্চ ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঋষভ, পৃথ্বীদের কী এমন বাড়তি দায়িত্ব দিলেন রিকি পন্টিং?‌

আইপিএলের ঢাকে কাঠি বাজতে আর বেশি সময় নেই। ২৬ মার্চ কলকাতা নাইট রাইডার্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের প্রতিযোগিতা। সব দলই প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে। দলের মেন্টর, কোচরাও ক্রিকেটারদের লক্ষ্য স্থির করে দিয়েছেন। তবে ঋষভ পন্থ, পৃথ্বী শদের বাড়তি দায়িত্ব দিয়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচ রিকি পন্টিং। এবছর মেগা নিলামের আগে ৪ জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। তাঁরা হলেন ঋষভ পন্থ, পৃথ্বী শ, অক্ষর প্যাটেল ও দক্ষিণ আফ্রিকার আনরিথ নর্টিয়েকে। নিলাম থেকে একঝাঁক তরুণ ক্রিকেটারকে তুলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। এই তরুণ ক্রিকেটারদের দেখাশোনার দায়িত্ব ঋষভ পন্থদের নিতে হবে বলে জানিয়েছেন দলের হেড কোচ রিকি পন্টিং। তিনি মনে করছেন, সিনিয়র ক্রিকেটাররা যদি জুনিয়রদের দেখাশোনা করে তাহলে দলের মধ্যে একতা বাড়বে, ভাল ফলও পাওয়া যাবে। নতুন ক্রিকেটারা দলের পরিবেশের সঙ্গে যাতে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারেন, তার জন্য ঋষভ, পৃথ্বী, অক্ষর, নর্টিয়েদের দায়িত্ব দিয়েছেন পন্টিং।দলের প্রস্তুতির ফাঁকে দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচ পন্টিং বলেছেন, এবছর দলে বেশ কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটার রয়েছে। তাদের তৈরি করার এবং তারা যাতে দলের পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে, তার দায়িত্ব সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিতে হবে। ঋষভ, পৃথ্বী, অক্ষর, নর্টিয়েদের সেই দায়িত্ব নিতে বলেছি। ওদের বলেছি হোটেলের ঘরের দরজা সবসময় খোলা রাখতে। তাহলে তরুণ ক্রিকেটাররা যে কোনও সমস্যা নিয়ে ওদের কাছে যেতে পারবে। একসঙ্গে বেশিক্ষণ সময় কাটালে দলের মধ্যে একতা বাড়বে।পন্টিং আরও বলেছেন, তরুণ ক্রিকেটাররা যত দ্রুত দলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে, তত ভাল মাঠে মনোযোগ দিতে পারবে। পুরনো ক্রিকেটাররা ভরসা রাখলে ভাল খেলার চেষ্টা করবে। এতে দলের লাভ হবে। অধিনায়ক হিসেবে ঋষভ পন্থকে দায়িত্ব নিতে হবে। তবে পুরনো যারা দলে রয়েছে, তাদেরও বলেছি দায়িত্ব নেওয়ার কথা। ওরা ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করছে কিনা তার ওপর আমি নজর রাখছি। যশ ঢুল, চেতন সাকারিয়া, কমলেশ নাগারকোটিদের মতো তরুণ ক্রিকেটারদের এবার নিলামে কিনেছে দিল্লি ক্যাপিটালস।

মার্চ ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে গেলে গভীর সঙ্কটে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবারের আইপিএলে প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে না গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স? আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে রোহিত শর্মার দলের ওপর। শনিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ৪ উইকেটে হেরে গভীর সঙ্কটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটারদের ব্যর্থতাই ডুবিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে।টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাট হাতে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি রোহিত শর্মা। এদিনও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। দ্বিতীয় ওভারেই আবেশ খানের বলে রাবাডার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (৭)। কুইন্টন ডিকক (১৯) ও সূর্যকুমার যাদব (৩৩) সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তুললেও যথেষ্ট ছিল না। দুজনকেই তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। সৌরভ তেওয়ারি করেন ১৫। তিনিও অক্ষর প্যাটেলের শিকার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান অক্ষর। ৪ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। আবেশ খানও দুর্দান্ত বোলিং করেন। ১৫ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। এই দুই বোলারের দাপটে ২০ ওভারে ১২৯/৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।দিল্লির জয় অবশ্য সহজে আসেনি। জয়ের জন্য ১৩০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়। ১৫ রান ওঠার ফাঁকেই ফিরে যান দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান (৮) ও পৃথ্বী শ (৬)। ৯ রান করে কুল্টারনাইলের বলে বোল্ড হন স্টিভ স্মিথ। এরপর দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (২২ বলে ২৬) ও শ্রেয়স আয়ার। অক্ষর প্যাটেল (৯), শিমরণ হেটমায়েররা (১৫) দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। এরপর অবিচ্ছেদ্য জুটিতে দলের জয় নিশ্চিত করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও শ্রেয়স আয়ার। শ্রেয়স আয়ার ৩৩ বলে ৩৩ এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২১ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার শেষ ওভারের প্রথম বলে ছয় মেরে ম্যাচ জেতান অশ্বিন।শনিবার মুম্বইয়র বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রইল দিল্লি। নেট রান রেটে চেন্নাই সুপার কিংসের থেকে পিছিয়ে ঋষভরা পন্থরা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রইল ষষ্ঠ স্থানে। প্লে অফে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ল রোহিতদের সামনে।

অক্টোবর ০২, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর বড় ডাক! স্বাধীনতা দিবসে রাজ্যজুড়ে তেরঙ্গা উৎসব, জেনে নিন পুরো কর্মসূচি

স্বাধীনতার মাস উপলক্ষে এবার রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচি। এতদিন এই কর্মসূচি বাংলায় সরকারি উদ্যোগে পালিত হয়নি। এবার প্রথমবার রাজ্য সরকার কেন্দ্রের এই উদ্যোগে সামিল হচ্ছে। আগামী ৯ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ কর্মসূচি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভবানীপুর থেকেই শুরু হবে তেরঙ্গা যাত্রা এবং তিনি নিজেও সেই মিছিলে অংশ নেবেন।বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, শুক্রবার ভবানীপুরের সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা পর্যন্ত বিশাল তেরঙ্গা মিছিল হবে। রাজ্যের সব মানুষের কাছে তিনি আবেদন করেছেন, প্রত্যেকে যেন নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। রাজ্যজুড়ে প্রায় সত্তর লক্ষ জাতীয় পতাকা বিতরণ করা হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে কেন এই কর্মসূচি পালন করা হয়নি, তা তিনি জানেন না। তবে এবার থেকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হবে। রাজ্যের প্রতিটি মহকুমা, ব্লক, পুরসভা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক ভবন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলোকসজ্জায় সেজে উঠবে। প্রবন্ধ লেখা, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের পরিকল্পনাও নিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ১০ আগস্ট বিকেল তিনটায় নেতাজির মূর্তির পাদদেশ থেকে আরও একটি বড় তেরঙ্গা মিছিল বের হবে। সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই এই মিছিলে অংশ নেবেন। ইতিমধ্যেই প্রায় তিরিশ হাজার মানুষ অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এবারের উদযাপন রাজ্যজুড়ে বিশেষ মাত্রা পাবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

পরিচয় বদলে রেলের চাকরি! পাঁচ বছর পর সিবিআইয়ের হাতে ধরা কাঁকুড়গাছি মামলার অভিযুক্ত

কাঁকুড়গাছির ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। ধৃতের নাম অরূপ দাস। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি তাঁর সন্ধান দিতে পঞ্চাশ হাজার টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। অবশেষে গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অসমে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, পরিচয় গোপন করে তিনি সেখানে রেলের কোচ অ্যাটেন্ড্যান্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে কলকাতায় আনা হতে পারে।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় কাঁকুড়গাছিতে বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর করা হয়েছিল। ঘটনার সময় তিনি সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে সাহায্যের আবেদনও করেছিলেন। এই ঘটনায় একাধিক রাজনৈতিক নেতার নাম সামনে আসে। প্রথমে তদন্ত শুরু করে স্থানীয় পুলিশ। পরে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় আদালতের নির্দেশে মামলার দায়িত্ব যায় সিবিআইয়ের হাতে।ইতিমধ্যেই এই মামলায় দুটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে সিবিআই। প্রথমটি জমা পড়ে ২০২১ সালে এবং দ্বিতীয়টি গত বছরের জুলাই মাসে। দ্বিতীয় অভিযোগপত্রে মোট আঠারো জনের নাম ছিল। সূত্রের খবর, অরূপ দাসের নামও সেই তালিকায় ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।তদন্তে জানা গিয়েছে, গত পাঁচ বছর ধরে অসমে নিজের পরিচয় গোপন করে কাজ করছিলেন অরূপ। সম্প্রতি একটি ঠিকাদারি সংস্থার কর্মীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি সিবিআইকে জানানো হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অসমে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। এবার তাঁকে কলকাতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তকারীদের আশা, এই মামলায় আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

গুণ্ডাদমন বিল নিয়ে আদালতে বড় মোড়! আবেদনকারীদের জন্য রইল নতুন সুযোগ

কলকাতা হাইকোর্টে গুণ্ডাদমন বিলের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলা আপাতত খারিজ হয়ে গেল। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়নি। তাই এই পর্যায়ে মামলার শুনানি সম্ভব নয়।আদালত জানিয়েছে, বিলটি এখনও আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি। সেই কারণে এখনই তার বৈধতা নিয়ে বিচার করার সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে আবেদনকারীরা নতুন করে জনস্বার্থ মামলা করতে পারবেন। সেই সুযোগ খোলা রয়েছে বলেও আদালত স্পষ্ট করেছে।সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় গুণ্ডাদমন বিল পাশ হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, পুলিশ সুপার বা তাঁর ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার প্রয়োজন মনে করলে কোনও ব্যক্তিকে গুণ্ডা হিসেবে চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে পারবে। প্রয়োজনে তাঁকে এক বছর পর্যন্ত কোনও এলাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা যেতে পারে।এই বিল ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এই আইনের অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এটি ব্যবহার করা হতে পারে। অন্যদিকে রাজ্য সরকারের দাবি, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করা এবং অপরাধ দমনের লক্ষ্যেই এই বিল আনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও জানিয়েছেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতেই এই আইন প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

আর কতদিন অপেক্ষা? আর জি কর মামলায় সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা হাই কোর্টের

আর জি কর মামলার তদন্ত নিয়ে ফের সিবিআইকে কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা হাই কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির সময় বিচারপতিরা স্পষ্ট প্রশ্ন তোলেন, আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২৮ আগস্ট।শুনানিতে নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, গত দুবছরে সিবিআই তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে, তার কোনও স্পষ্ট চিত্র এখনও সামনে আসেনি। তাঁর অভিযোগ, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং অতিরিক্ত হলফনামা থাকা সত্ত্বেও সেই দিকগুলি যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি। শেষ রাতে উপস্থিত কয়েকজনের বয়ানও এখনও সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলা হয়, যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন ছিল, তাঁদের এখনও কেন ডাকা হয়নি।এর জবাবে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, তদন্ত এখনও চলছে এবং প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আদালতকে জানান, কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর বয়ান এখনও নেওয়া বাকি রয়েছে। তাই তদন্ত শেষ করতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন।এই বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি শম্পা সরকার বলেন, সিবিআইয়ের আগের রিপোর্টেই তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার উল্লেখ রয়েছে। আদালতের আগের নির্দেশও ঠিকভাবে মানা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিচারপতি স্পষ্ট জানান, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নতুন করে সব তথ্য খতিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে আগের তদন্তের সীমাবদ্ধতা সরিয়ে আবার তদন্ত করতে হবে। বিচারপতির প্রশ্ন, এভাবে আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? আদালতের এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি সিবিআই।উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। এই ঘটনায় এক অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলেও নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত। সেই কারণেই সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। আগামী ২৮ আগস্ট ফের এই মামলার শুনানি হবে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
দেশ

পলাতক অভিযোগের মাঝেই বড় রায়! সুমিত রায়কে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত সুমিত রায়কে আপাতত বড় স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, তদন্ত চলবে, তবে এই মুহূর্তে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই সুমিত রায়কে খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থা। এই পরিস্থিতিতে তাঁর গ্রেফতারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল আদালত।সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সুমিত রায়কে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। তদন্তকারী সংস্থা যখনই ডাকবে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতে হবে। সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে। তবে সেই সময় তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। আদালত আরও জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি নিজের আইনজীবীকে সঙ্গে রাখতে পারবেন।সুমিত রায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই মামলার পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।অন্যদিকে রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, বহু বছর আগে অভিযোগ উঠলেও আগের সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি আদালতে আরও বলেন, তদন্তের সময় বারবার হস্তক্ষেপ করা হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে সুমিত রায়ের আইনজীবী জানান, এই মন্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক এবং মামলার মূল বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
রাজ্য

পারিশ্রমিক অনিশ্চয়তায় পূর্ব বর্ধমান জেলার ৪৫৪ জন বাংলা সহায়তা কেন্দ্র কর্মী, চরম উদ্বেগে বিএসকে কর্মীরা

রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক প্রশাসনিক নির্দেশিকার জেরে সারা রাজ্যের সাথে সাথে পূর্ব বর্ধমান জেলার ২৩৯টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র (BSK)-এ কর্মরত মোট ৪৫৪ জন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (DEO)-এর জুন ও জুলাই, ২০২৬ মাসের পারিশ্রমিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। টানা দুই মাস বেতন না পাওয়ার আশঙ্কায় কর্মীদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারও চরম উদ্বেগ ও আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।গত ৩১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের Personnel Administrative Reforms (PAR) Department-এর জারি করা এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে এবং বিভাগীয় বরাদ্দ ও অনুমোদন (Allotment-cum-Sanction) না আসা পর্যন্ত জুন ও জুলাই মাসের পারিশ্রমিকের বিল প্রসেসিং বা অর্থপ্রদানের জন্য উপস্থাপন করা যাবে না। ইতিমধ্যেই এই নির্দেশ রাজ্যের সমস্ত জেলার জেলাশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারদের (DDO) কাছে পাঠানো হয়েছে।পূর্ব বর্ধমান জেলার গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক প্রশাসন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, গ্রন্থাগার, মহকুমাশাসকের দপ্তর এবং জেলাশাসকের কার্যালয়-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে মোট ২৩৯টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এই কেন্দ্রগুলিতে কর্মরত ৪৫৪ জন বাংলা সহায়ক প্রতিদিন হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা পেতে সহায়তা করেন। অন্নপূর্ণা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, বার্ধক্য ভাতা, জাতিগত ও আয় শংসাপত্র, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত আবেদন, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনলাইন আবেদন থেকে শুরু করে কর প্রদাননাগরিক পরিষেবার এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তাঁদের কাঁধেই বর্তায়।কিন্তু সেই কর্মীরাই আজ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে চুক্তিভিত্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও টানা দুই মাসের পারিশ্রমিক আটকে যাওয়ার আশঙ্কায় বহু পরিবারের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বাড়িভাড়া, সন্তানের পড়াশোনার খরচ, চিকিৎসা, ঋণের কিস্তি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারসব মিলিয়ে সংসারের ব্যয়ভার সামলানো অনেকের পক্ষেই কঠিন হয়ে উঠছে। অনেক কর্মী জানিয়েছেন, মাসের শেষে নির্দিষ্ট আয়ের ওপর নির্ভর করেই তাঁদের পরিবার চলে। সেই আয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় মানসিক চাপের পাশাপাশি আর্থিক সংকটও ক্রমশ বাড়ছে।কর্মীদের বক্তব্য, তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিদিন সরকারি পরিষেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন। অথচ প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তাঁদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তাঁরা নিজেদের অবমূল্যায়িত মনে করছেন। তাঁদের আশা, বিষয়টির মানবিক দিক বিবেচনা করে রাজ্য সরকার দ্রুত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও অনুমোদনের ব্যবস্থা করবে, যাতে বিলম্ব না করে বকেয়া পারিশ্রমিক প্রদান করা যায় এবং কর্মীদের পরিবার এই অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পায়।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সরকারি নির্দেশিকায় কোথাও পারিশ্রমিক বাতিলের কথা বলা হয়নি। বরং স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত জুন ও জুলাই মাসের পারিশ্রমিকের বিল প্রসেসিং সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। ফলে কর্মীরা তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পাবেন কি না, সেই প্রশ্ন নয়; বরং কবে সেই অর্থ হাতে পৌঁছাবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় এখন দিন গুনছেন শত শত বাংলা সহায়ক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
টুকিটাকি

প্রতিদিনের রান্নায় রাখছেন কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনা? কোন পাতায় লুকিয়ে বেশি স্বাস্থ্যগুণ?

প্রতিদিনের রান্নায় কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি এই তিন ভেষজ পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এগুলি যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই গুণাগুণের পাশাপাশি সতর্কতার বিষয়টিও জানা জরুরি।কারিপাতার উপকারিতাকারিপাতা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে। চুল ও ত্বকের জন্যও কারিপাতা উপকারী পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া এতে লৌহ, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে।শিশু থেকে বয়স্ক, সাধারণ পরিমাণে রান্নার সঙ্গে কারিপাতা খেতে পারেন। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারাও অল্প পরিমাণে উপকার পেতে পারেন।তবে অতিরিক্ত কাঁচা কারিপাতা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ চললে বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।ধনেপাতার উপকারিতাধনেপাতা ভিটামিন A, C ও K-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়ক কিছু উপাদানও এতে থাকতে পারে।পরিষ্কার করে ধুয়ে শিশু, তরুণ ও বয়স্কসবাই পরিমাণমতো ধনেপাতা খেতে পারেন। সালাদ, চাটনি, ডাল কিংবা বিভিন্ন তরকারিতে এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কারও কারও ধনেপাতায় অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়া বাজার থেকে কেনা ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা জরুরি, বিশেষ করে বর্ষাকালে।পুদিনাপাতার উপকারিতাপুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ কমাতেও সহায়ক। গরমের দিনে পুদিনার শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।সাধারণভাবে শিশু ও বড়রা অল্প পরিমাণে পুদিনাপাতা খেতে পারেন। চাটনি, শরবত, রায়তা কিংবা রান্নায় এটি ব্যবহার করা যায়।তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, তারা অতিরিক্ত পুদিনা খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ছোট শিশুদের খুব বেশি কাঁচা পুদিনা না দেওয়াই ভালো।ঋতুভেদে কী সতর্কতা?বর্ষাকালে ভেষজ পাতাগুলি মাটির কাছাকাছি জন্মায় বলে জীবাণু বা ময়লা থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কয়েকবার ভালোভাবে ধুয়ে তবেই ব্যবহার করা উচিত।গরমকালে পুদিনা ও ধনেপাতা সতেজ খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।শীতকালে এই পাতাগুলি সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?যাদের কোনো ভেষজ পাতায় অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাদের দীর্ঘদিনের পেটের বিশেষ সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এছাড়া ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।সব মিলিয়ে, কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা, তিনটিই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে এগুলি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে এই ভেষজ পাতাগুলি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মোদির ভিডিও ঘিরে তুমুল বিতর্ক! শেষমেশ মাথা নত, ক্ষমা চাইতেই হল জুকারবার্গকে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। সূত্রের দাবি, শুধু ভিডিও সরানোর ঘটনাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়েও সংস্থা নিজেদের ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে।গত তেইশে জুলাই তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমে মেটা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি।সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিও এই ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ক্ষমা চাইলেই চলবে না, ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়। এরপরই মেটার প্রতিনিধিদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে তলব করা হয়।সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া, অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ভিডিও সরানোর কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেটার প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানালেও কেন্দ্র আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেয়।এদিকে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করার বিষয়েও ভাবা হবে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত বিতর্ক কিছুটা স্তিমিত হলেও মেটার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।ভারতে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাই এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তি মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal